বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, রাত ১১:৫১
শিরোনাম :
সুদানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় শিশুসহ নিহত ২৭ নরসিংদীতে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৩৭ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা

কর্ণফুলী টানেলে ৫৮৫ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি,৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট ।। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং রাষ্ট্রের ৫৮৫ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি করার অভিযোগে সাবেক সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদক ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. সিরাজুল হক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাড়াও অন্য আসামিরা হলেন- সেতু বিভাগের সাবেক সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমদ ও সাবেক যুগ্ম সচিব আলীম উদ্দিন আহমেদ।

দুদক সূত্র জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, ভাগ্নে-ভাগ্নি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিন সিদ্দিকসহ তৎকালীন মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্যদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা করলেও ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের তহবিল তছরুপ, অপচয় এবং আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের এটিই প্রথম মামলা।

বৃহস্পতিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্পে নেগোসিয়েশন কমিটির নেগোসিয়েশন মূল্য উপেক্ষা করে এবং নিজেদের নিয়োজিত বিদেশি বিশেষজ্ঞের সুপারিশবিহীন অতিগুরুত্বপূর্ণ নয় এমন তিনটি কাজ পরিষেবা এলাকা, পর্যবেক্ষণ সফটওয়ার এবং একটি ট্যাগ বোর্ড অন্তর্ভুক্তি করে সরকারের ৫৯.৮০ মিলিয়ন ডলার বা ৫৮৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধভাবে পিপিএ ২০০৬ এর সংশ্লিষ্ট বিধান লঙ্ঘন করে ৫৫ লাখ ২১ হাজার ১৮৬ টাকা ব্যয়ে পরামর্শক নিয়োগ করেও সরকারের ক্ষতিসাধন করেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২০বি/৪০৯/১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।